বিজ্ঞানের জন্য

চাঁদপুরে কোভিড-১৯ সন্দেহে চিকিৎসা নিতে আসা ১৮ বছরের এক তরুণীকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। একই সাথে ওই তরুনীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার স্বজন ও হাসপাতালের চিকিৎসাকার্যে থাকা সকলকে কোয়ারান্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। এদিক কভোড-১৯ সন্দেহে চাঁদপুর জেলার রোববার পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো ১৭ জনের রির্পোট জানা গেছে। ১৭জনের কারো শরীরেই করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি, চাঁদপুর সিভিল সার্জনের অফিস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এ এইচ এম সুজাউদৌলা রুবেল জানান, মেয়েটি জ্বর, সর্দি কাশি এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরে সদর উপজেলার তরপুরচ-ি এলাকা থেকে আসা মেয়েটিকে তার স্বজনরা তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমরা তাকে করোনায় আক্রান্ত হতে পারে সন্দেহজনকভাবে আইসোলেশনে ভর্তি দিয়েছি। আমরা ওই রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে করে আইইডিসিআরে পাঠানো হবে। সেখান থেকে তার পরীক্ষার রির্পোট পাঠালে নিশ্চিত হওয়া যাবে সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা।
এছাড়া ওই রোগীর স্বজন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে যারা রোগীকে স্পর্শ করেছে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছি। এদিকে কোভিড-১৯ সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে রোববার পর্যন্ত গত কয়েকদিনে পাঠানো ১৭ জনের কারো মধ্যেই করোনা ভাইরাসের অস্তত্ব খুঁজে পাওয়া যায় নি। আইইডিসির প্রথম দফায় ১০ জনের এবং দুই দফায় ৭ জনের রির্পোট পরীক্ষা করে রির্পোটে পাঠায়। এদিকে সোমবার দিন আরো ৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে মঙ্গলবার দিন সকালে কুমিল্লা পাঠানো হয়েছে।
এ নিয়ে চাঁদপুর জেলায় সর্বমোট ২১জনের নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ১৭জনের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ৪ জনের রিপোর্ট অপেক্ষমান। চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ সংবাদকর্মীদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post